সফরে শুরুর আগেই নিজেকে প্রস্তুত করুন। কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক নির্ভরযোগ্য নির্দেশিকা, নির্বাচিত গ্রন্থ, ভিডিও লেকচার এবং অন্যান্য সহায়ক রিসোর্স থেকে হজ্জ ও উমরাহ সম্পর্কে জানুন।
হজ্জ জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদাহ। প্রত্যেক হজ্জযাত্রীর আকাঙ্ক্ষা থাকে একটি মাবরূর হজ্জ অর্জনের—যা আল্লাহর কাছে কবুল হবে এবং যার প্রতিদান হবে তাঁর ক্ষমা ও জান্নাত। এই প্রস্তুতি শুরু হয় সফরের অনেক আগেই—আন্তরিক তাওবাহ, বিশুদ্ধ আকীদাহ, সঠিক জ্ঞান, হালাল উপার্জন এবং আল্লাহমুখী অন্তরের মাধ্যমে।
আলিমগণ এমন কিছু বিষয় উল্লেখ করেছেন, যেগুলো হজ্জ আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার জন্য অপরিহার্য:
হজ্জ একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আদায় করুন। লোক দেখানো (রিয়া), সুনাম অর্জনের বাসনা বা সমাজে "হাজী" নামে পরিচিত হওয়ার উদ্দেশ্য থেকে নিজেকে রক্ষা করুন।
হজ্জের পুরো ব্যয় যেন সম্পূর্ণ হালাল উপার্জন থেকে হয়। রাসূল ﷺ বলেছেন, "আল্লাহ পবিত্র; তিনি কেবল পবিত্র জিনিসই গ্রহণ করেন।"
রাসূলুল্লাহ ﷺ যেভাবে হজ্জ আদায় করেছেন, ঠিক সেভাবেই হজ্জ আদায়ের চেষ্টা করুন। বিদআত থেকে দূরে থাকুন এবং ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নাহসমূহ যথাযথভাবে পালন করুন।
গীবত, গুনাহ, ইহরাম অবস্থায় অশ্লীল কথাবার্তা (রাফাস) এবং অপ্রয়োজনীয় তর্ক-বিতর্ক থেকে বিরত থাকুন। ধৈর্য, উত্তম চরিত্র ও সংযম বজায় রাখুন।
সহযাত্রীদের সেবায় আন্তরিক থাকুন। খাদ্য ও পানি ভাগাভাগি করুন, নম্রভাবে কথা বলুন এবং সফরের কষ্টের মাঝেও সুন্দর আচরণ বজায় রাখুন।
"মাবরূর হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।"
মাবরূর হজ্জ বান্দার গুনাহসমূহ মুছে দেয়। অন্য একটি সহীহ হাদীসে রাসূল ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্জ করল এবং এই দিনগুলোতে কোনো প্রকার যৌন সম্ভোগ বা অশ্লীলতা, অন্যায় আচরণ বা ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হলো না, সে তার মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসবে।" (সহীহ আল-বুখারী: ১৫২১; সহীহ মুসলিম: ১৩৫০)
আলিমগণ উল্লেখ করেছেন যে, আন্তরিকতা ও সুন্নাহর যথাযথ অনুসরণের সঙ্গে হজ্জ আদায় করা হলে জান্নাতের সুসংবাদ ও গুনাহ মাফের এই মহান প্রতিদান ফরয ও নফল—উভয় হজ্জের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
এই পৃষ্ঠাটি কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে প্রস্তুত একটি সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। তবে এটি যোগ্য আলিমদের কাছে ইলম অর্জন, সরাসরি প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে অংশগ্রহণ কিংবা ব্যক্তিগত মাসআলার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য আলিমদের কাছ থেকে ফতোয়া গ্রহণের বিকল্প নয়।
হজ্জ ও উমরাহ কার ওপর ফরয, কার জন্য তা নফল এবং কোন অবস্থায় এ ইবাদাত আদায়ের বিধান প্রযোজ্য—সংক্ষেপে তা জানুন।
হজ্জ ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ। জীবনে একবার হজ্জ আদায় করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের ওপর ফরযে আইন।
"আর মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হজ্ব করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য"
— সূরা আলে ইমরান, ৩:৯৭
সর্বাধিক বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী (শাফিঈ ও হাম্বলী মাযহাব), সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর জীবনে একবার উমরাহ আদায় করাও ওয়াজিব। তবে হানাফী ও মালেকী মাযহাবের আলিমগণ উমরাহকে সুন্নাতে মুআক্কাদাহ বলে মত দিয়েছেন।
"আর তোমরা হজ ও ‘উমরা পূর্ণ কর আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে"
— সূরা আল-বাকারাহ, ২:১৯৬
নিম্নোক্ত মৌলিক শর্তগুলো পূরণ হলেই একজন ব্যক্তির ওপর হজ্জ ও উমরাহ ফরয হয়।
ব্যক্তি অবশ্যই মুসলিম হতে হবে। ইসলামের বাইরে কারও ইবাদাত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
ব্যক্তিকে সুস্থ মস্তিষ্ক ও বিবেকসম্পন্ন হতে হবে। শরীয়তের দৃষ্টিতে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি এ দায়িত্বের আওতাভুক্ত নন।
ব্যক্তি বালেগ হতে হবে। শিশু হজ্জ করলে সওয়াব পাবে, তবে তা তার ফরয হজ্জ হিসেবে গণ্য হবে না।
ব্যক্তি স্বাধীন হতে হবে। এটি মূলত দাসপ্রথার যুগের একটি শর্ত; বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণ হয়।
যাতায়াত, থাকা-খাওয়া এবং পরিবারের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য, পাশাপাশি নিরাপদে হজ্জ সম্পন্ন করার মতো শারীরিক সক্ষমতা থাকতে হবে।
সহীহ সুন্নাহর আলোকে উমরাহর অপরিহার্য আমলগুলোর সংক্ষিপ্ত ধাপে ধাপে নির্দেশিকা।
হজ্জ আদায়ের তিনটি শরঈভাবে বৈধ পদ্ধতি রয়েছে। এগুলোর পার্থক্য জানা থাকলে হজ্জের নিয়ত ও করণীয় সহজে বুঝতে সুবিধা হয়।
হজ্জের মাসগুলোতে একজন হজ্জযাত্রী কেবল উমরাহর নিয়তে ইহরামে প্রবেশ করেন। উমরাহ সম্পন্ন করার পর ইহরাম থেকে সম্পূর্ণ বের হয়ে স্বাভাবিক পোশাকে এবং অবস্থায় থাকেন। এরপর ৮ জিলহজ্জে পুনরায় হজ্জের নিয়তে নতুন করে ইহরাম করেন।
হজ্জযাত্রী উমরাহ ও হজ্জ—উভয়ের নিয়তে একবারই ইহরাম প্রবেশ করেন। উমরাহ সম্পন্ন করলেও তিনি ইহরাম থেকে বের হন না; একই ইহরামে হজ্জের সকল আমল সম্পন্ন করেন।
হজ্জযাত্রী শুধুমাত্র হজ্জের নিয়তে ইহরাম বাঁধেন। এই পদ্ধতিতে উমরাহ অন্তর্ভুক্ত থাকে না। তিনি ঈদের দিন জামারাতে পাথর নিক্ষেপ এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা পর্যন্ত ইহরামের অবস্থায় থাকেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশ থেকে হজ্জে যাওয়া অধিকাংশ হাজী তামাত্তু' হজ্জ আদায় করেন। এটিই সর্বোত্তম হজ্জের পদ্ধতি; রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীগণকে এ পদ্ধতিই গ্রহণ করতে নির্দেশ ও উৎসাহ দিয়েছিলেন। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে অন্য পদ্ধতিও অনুসরণ করা হতে পারে। আপনার হজ্জ গাইড এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।
৮ জিলহজ্জ থেকে শুরু করে হজ্জের প্রতিটি ধাপ সহজ ও ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করুন।
বাংলাদেশ থেকে আগত অধিকাংশ হজ্জযাত্রী তামাত্তু' হজ্জ আদায় করেন। এই পদ্ধতিতে প্রথমে উমরাহ আদায় করা হয় (যার ধাপে ধাপে নির্দেশনা উপরের অংশে দেওয়া হয়েছে)। উমরাহ সম্পন্ন হলে ইহরাম থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক পোশাকে ফিরে আসা যায়। এরপর ৮ জিলহজ্জে নিজ অবস্থানস্থল থেকে পুনরায় ইহরাম বেঁধে হজ্জের ধারাবাহিক আমল শুরু হয়, যার ধাপগুলো নিচে তুলে ধরা হয়েছে।
এই ইন্টারঅ্যাক্টিভ নির্দেশিকায় তামাত্তু' হজ্জ-এর ধাপগুলো দেখানো হয়েছে, কারণ বাংলাদেশ থেকে অধিকাংশ হাজী সংগঠিত হজ্জ প্যাকেজের মাধ্যমে এ পদ্ধতিতেই হজ্জ আদায় করেন। তাছাড়া সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী এটিই সর্বোত্তম হজ্জের পদ্ধতি, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীগণকে গ্রহণ করতে নির্দেশ ও উৎসাহ প্রদান করেছিলেন। কিরান ও ইফরাদ হজ্জের মূল কার্যক্রম তামাত্তু' হজ্জের সঙ্গে প্রায় একই। প্রধান পার্থক্য হলো ইহরামে প্রবেশ ও তা থেকে বের হওয়ার সময়, উমরা অন্তর্ভুক্ত থাকা বা না থাকা, এবং হাদী ওয়াজিব হওয়া বা না হওয়ার ক্ষেত্রে। একই বিষয় তিনবার পুনরাবৃত্তি না করে সহজবোধ্য একটি ধারাবাহিক নির্দেশিকা উপস্থাপন করা হয়েছে। আপনি যদি কিরান বা ইফরাদ হজ্জ আদায় করেন, তবে প্রয়োজনীয় পার্থক্যগুলো সম্পর্কে আপনার হজ্জ গাইড বা নির্ভরযোগ্য আলেমের দিকনির্দেশনা গ্রহণ করুন।
মাসজিদে নববী (আল-মাসজিদ আন-নববী) সফরের ইসলামী আদব ও দিকনির্দেশনা।
মদীনাতুল মুনাওয়ারা সফর করা হজ্জ বা উমরাহর কোনো আবশ্যিক আমল নয়। বরং এটি একটি স্বতন্ত্র ও অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ ইবাদত। মদীনায় যাওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মাসজিদে নববী যিয়ারত করা এবং সেখানে সালাত আদায় করা, যার প্রতিদান অত্যন্ত মহান।
ডান পা আগে রেখে মাসজিদে নববীতে প্রবেশ করুন এবং বলুন:
بِسْمِ اللَّهِ، وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذُنُوبِي، وَافْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
অর্থ: "আল্লাহর নামে। রাসূলুল্লাহর প্রতি শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ, আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাসমূহ খুলে দিন।"
মাসজিদে প্রবেশ করে দুই রাকাআত তাহিয়্যাতুল মাসজিদ আদায় করুন। সুযোগ ও নিরাপত্তা থাকলে, অন্য মুসল্লিদের কষ্ট না দিয়ে রাওদাতুশ শরীফাহতে (রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান, যা সবুজ কার্পেট দ্বারা চিহ্নিত) এ সালাত আদায় করার চেষ্টা করুন।
নীরবে ও শান্তভাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কবরের সামনে গিয়ে সালাম দিন। বলুন: "আস-সালামুকা 'আলাইক ইয়া রাসূলাল্লাহ, ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।" (আপনার প্রতি শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক, হে রাসূলুল্লাহ।) এরপর সামান্য ডান দিকে সরে গিয়ে আবূ বকর (রাযিয়াল্লাহু 'আনহু)-কে সালাম দিন: "আস-সালামু 'আলাইকা ইয়া আবা বকর।" তারপর আরও সামান্য ডান দিকে সরে গিয়ে উমর (রাযিয়াল্লাহু 'আনহু)-কে সালাম দিন: "আস-সালামু 'আলাইকা ইয়া 'উমার।"
<গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কবরের চারপাশের গ্রিল, দেয়াল বা অন্য কোনো অংশ স্পর্শ করা, মুছে বরকত গ্রহণের চেষ্টা করা বা চুম্বন করা বিদআত। তদ্রূপ, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট দু'আ করা, তাঁর কাছে সাহায্য বা সুপারিশ প্রার্থনা করাও জায়েয নয়। সকল দু'আ কেবল আল্লাহর কাছেই করতে হবে এবং কিবলামুখী হয়ে করতে হবে।
অযু করে নিজ অবস্থানস্থল থেকে মসজিদে কুবায় যান এবং সেখানে দুই রাকাআত সালাত আদায় করুন। এটি অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি সুন্নাহ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "যে ব্যক্তি নিজ ঘরে অযু করে মসজিদে কুবায় এসে সেখানে সালাত আদায় করে, সে একটি উমরাহর সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করে।" (সুনান ইবন মাজাহ: ১৪১২)
পুরুষদের জন্য বাকি কবরস্থান (মাসজিদে নববীর পাশেই অবস্থিত), যেখানে বহু সম্মানিত সাহাবী সমাহিত আছেন, এবং উহুদের শহীদদের কবরসমূহ (যার মধ্যে হামযাহ رضي الله عنه-ও রয়েছেন) যিয়ারত করা সুন্নত। সেখানে গিয়ে তাঁদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা ও রহমতের দু'আ করুন।
হজ্জ ও উমরাহ পালনকারী নারীদের জন্য সুন্নাহভিত্তিক বিশেষ বিধান, ছাড় এবং গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা।
হজ্জ বা উমরাহর উদ্দেশ্যে একজন নারীর স্বামী অথবা মাহরাম (যাঁর সঙ্গে স্থায়ীভাবে বিবাহ নিষিদ্ধ এমন পুরুষ আত্মীয়)-এর সঙ্গে সফর করা আবশ্যক। মাহরাম ছাড়া সফর করা বৈধ নয়।
নারীদের জন্য ইহরামের নির্দিষ্ট কোনো রং বা পোশাক নেই। তাঁরা শরীয়তসম্মত শালীন, ঢিলেঢালা ও পূর্ণাঙ্গ পোশাক পরবেন। ইহরাম অবস্থায় নিকাব ও হাতমোজা পরবেন না। তবে পরপুরুষের উপস্থিতিতে মাথার ওড়না বা অন্য কোনো কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে নিতে পারবেন।
পুরুষদের মতো উচ্চস্বরে তালবিয়াহ পাঠ করা নারীদের জন্য সুন্নাহ নয়। তাঁরা এমন নিম্নস্বরে তালবিয়াহ পাঠ করবেন, যাতে কেবল তিনি নিজে বা তাঁর একেবারে নিকটবর্তী নারীরা শুনতে পান।
ইহরাম অবস্থায় ঋতুস্রাব শুরু হলেও ইহরাম বৈধ থাকে। তিনি মিনায় অবস্থান, আরাফায় অবস্থান, মুযদালিফায় রাত্রিযাপন, জামারাতে পাথর নিক্ষেপসহ হজ্জের অন্যান্য আমল করবেন। তবে পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ করবেন না। যদি সাঈ সেই তাওয়াফের ওপর নির্ভরশীল হয়, তবে তাওয়াফ ও সাঈ উভয়ই পবিত্র হয়ে গোসল করার পর সম্পন্ন করবেন।
ইহরাম থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য নারী কখনো মাথা মুন্ডন করবেন না। বরং চুল একত্র করে প্রান্ত থেকে আঙুলের একটি গিঁট পরিমাণ (প্রায় ১–২ সেন্টিমিটার) কেটে নেবেন।
হজ্জ ও উমরাহর বিধান, ব্যবহারিক পদ্ধতি এবং সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে চলার জন্য নির্বাচিত ভিডিও লেকচার ও প্রদর্শনী।
Trusted literature from respected publishers based on authentic narrations.
যাত্রার আগে প্রয়োজনীয় সবকিছু গুছিয়ে নিতে অনুসরণ করুন একটি পূর্ণাঙ্গ চেকলিস্ট।
খুব শিগগিরই একটি প্রিন্টযোগ্য চেকলিস্ট যুক্ত করা হবে, যাতে হজ্জ্বের সফরের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু সহজে প্রস্তুত করা যায়। এতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ওষুধ, পোশাক, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী এবং ভ্রমণসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জিনিসের পূর্ণাঙ্গ তালিকা থাকবে।